Saturday, February 16, 2019
সর্বশেষ সংবাদ
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল হবে না: আইনমন্ত্রী         বিরোধীদের নির্মূলে সরকার মরিয়া: মির্জা আলমগীর         পুনঃনির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে নামছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বাম জোট         বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ৩ দিন বন্ধ থাকবে         কোম্পানীগঞ্জে গর্তে পড়ে আবারো এক শ্রমিক নিহত         সিসিকের বকেয়া বিল আদায় অভিযান অব্যাহত, ৭ দিনে ৩৩ লাখ টাকা আদায়         ছড়া-খাল দখলকারীরা যত বড় প্রভাবশালী হোক, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা-সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী         নগরীতে ‘বৈকালিক সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন’ টিকাদান কর্মসূচিতে বিশ্বে বাংলাদেশ এখন রোল মডেল—সিসিকের প্রধান নির্বাহী         চার দেশে আশ্রয় চাইলেন আলোচিত সৌদি যুবতী কুনুন         ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: স্থগিত ৩ কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলছে        

পিএসএল চ্যাম্পিয়ন পেশোয়ার জালমি

image_177487_0নিউজ সর্বশেষ২৪স্পোর্টস: পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দ্বিতীয় আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসানের পেশোয়ার জালমি। জাতীয় দলের সঙ্গে শ্রীলঙ্কা সফরে থাকায় পেশোয়ারের হয়ে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচ খেলতে পারেননি দুজনই।

প্রতিযোগিতার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সকে ৫৮ রানে হারায় পেশোয়ার জালমি। মাহমুদউল্লাহ না থাকলেও কোয়েটার হয়ে খেলেছেন বাংলাদেশি উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান এনামুল হক বিজয়।

লাহোরে নিরাপত্তা ঝুঁকি উপেক্ষা করে অনুষ্ঠিত ফাইনালে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান সংগ্রহ করে পেশোয়ার জালমি। জবাবে ১৬.৩ ওভারে মাত্র ৯০ রান তুলতেই অলআউট হয় কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স। তাই প্রথম আসরের মতো এবারও রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো কোয়েটাকে।

পিএসএলের ফাইনাল ম্যাচ উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ঢেকে গিয়েছিল লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়াম। পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী রাখা হয়েছিল স্টেডিয়ামের কয়েক কিলোমিটার জায়গাজুড়ে। এ ছাড়া লাহোরজুড়েই ছিল পুলিশের কড়া নিরাপত্তা।

ফাইনালে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে পেশোয়ার জালমি। ডেভিড মালান ও কামরান আকমল উদ্বোধনী জুটিতে দলের জন্য শক্ত ভিত দাঁড় করান। এ দুজন যোগ করেন ৪২ রান। পঞ্চম ওভারের দ্বিতীয় বলে রায়াদ এমরিতের বলে আউট হওয়ার আগে ১২ বলে ১৭ রান করেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান ডেভিড মিলান। এরপর দলীয় ৮২ রানে আউট হন কামরান। ৩২ বলে ৪০ রান করেন এই ওপেনার।

পেশোয়ারের মিডল অর্ডার ব্যর্থ হলেও অধিনায়ক ড্যারেন স্যামির ১১ বলে ২৮ রানের ঝড়ে শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১৪৮ রানের ভালো সংগ্রহ দাঁড় করায় পেশোয়ার।

জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে কিছুই করতে পারেনি কোয়েটার ব্যাটসম্যানরা। প্রথম তিন ওভারে মাত্র ২ রান সংগ্রহ করে দলটি। এর মধ্যে হারিয়ে বসে আহমেদ শেহজাদ ও এনামুল হক বিজয়ের উইকেট। বিজয়কে নিয়ে বেশ ভালো প্রত্যাশা ছিল বাংলাদেশি ক্রিকেট ভক্তদের। তবে ফাইনাল ম্যাচে ৯ বলে মাত্র ৩ রান করেন তিনি।

এরপর অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ ও শন আরভিন কিছুটা লড়াই করেছিলেন। তবে স্পিনার আজগর ও পেসার হাসান আলির সঙ্গে লড়াইয়ে হার মানতে হয় তাদের। সরফরাজ ২২ ও আরভিন ২৪ রান করেন। এরপর লোয়ার অর্ডারে আনোয়ার আলি ২০ রান করলেও তা দলের হার এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। আসগর তিনটি উইকেট নেন। এ ছাড়া হাসান আলি ও ওয়াহাব রিয়াজ নেন দুটি করে উইকেট।

সর্বশেষ সংবাদ